কে এম আমিনুল ইসলাম মহাস্থান(বগুড়া) প্রতিনিধিঃ
শনিবার দুপুরে বগুড়া সদরের সাতশিমুলিয়া দ্বি-মুখী উচ্চ বিদ্যালয়ে সরকারী বই
বিতরণে অনিয়মের অভিযোগে সচেতন অভিভাবক মহলের প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।সরজমিনে গিয়ে জানা গেছে গত ১লা জানুয়ারী সারা দেশব্যাপী শিক্ষার্থীদের মাঝে সরকারী বই উৎসব অনুষ্ঠিত হয়। তারই ধারাবাহিকতায় ১লা জানুয়ারী রোজ মঙ্গলবার বগুড়া সদরের ঐতিহ্যবাহী সাতশিমুলিয়া দ্বি-মুখী উচ্চ বিদ্যালয়ে ছাত্র-ছাত্রীদের মাঝে বই বিতরণ শুরু হয়। ছাত্র-ছাত্রীরা নুতুন বই নিতে স্কুলে আসে। বই বিতরণের পূর্ব মুহুর্তে অত্র বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হাফিজুর রহমান সকল শিক্ষার্থীদেরকে ৬০০ (ছয়শত) টাকা করে জমা দিয়ে বই নিতে বলে। এতে করে শিক্ষার্থীদের মাঝে শুরু হয় নানা গুঞ্জন। কোন কোন শিক্ষার্থী তাৎক্ষনিক ভাবে বাড়ীতে গিয়ে টাকা এনে বই নেয়। অনেকেই টাকা দিতে পারে না। অভিভাবক মহলে বিষয়টি জানাজানি হলে উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা বরাবর খবরটি চলে যায়। পুলিশ নিয়ে ছুটে আসেন বগুড়া সদর উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা আজিজুর রহমান। নির্বাহী কর্মকর্তার উপস্থিতিতে সুষ্ঠভাবে বই বিতরণ করা হয়। বই বিতরণে অনিয়মের খবর ইলেকট্রিক মিডিয়া সহ কয়েকটি আঞ্চলিক পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। বই বিতরণে এই অনিয়মের খবর চতুর্দিকে ছড়িয়ে পড়ে। শুরু হয় নানা জল্পনা কল্পনা। ফুশে ওঠে এলাকা বাসি। ঐতিয্যবাহী সাতশিমুলিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের সুনাম যেনো কোনো ভাবেই নষ্ট না হয়, সে জন্য সচেতন অভিভাবক ও এলাকাবাসি গতকাল শনিবার দুপুরে এক পরামর্শ সভার আয়োজন করেন। উক্ত পরামর্শ সভায় রবু মিয়া,ইহসানুল কবির ডালিম, ইউপি সদস্য মকবুল হোসেন, রিপন পাইকাড়, আঃ খালেক, তাজুল ইসলাম, সুজন পাইকাড় সহ অভিভাবকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। এব্যপারে বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি সেকেন্দার আলির সাথে মোবাইলে কথা বললে তিনি জানান বই বিতরণে অনিযম হয়েছে, সে জন্য প্রধান শিক্ষককে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ বিষয়ে নির্বাহী কর্মকর্তা মহোদয়ের নিকট জানতে চাইলে তিনি বলেন, বই বিতরণে অনিয়মের ঘটনায় আমি স্কুলে গিয়েছি এবং সুষ্ঠ তদন্তের রিপোর্ট উর্ধতন কর্মকর্তা বরাবর জমা দিয়েছি।
প্রাইভেট ডিটেকটিভ/০৫ জানুয়ারি ২০১৯/ইকবাল